গোসল এবং ফরয গোসলের নিয়ম

পবিত্রা রক্ষার জন্য গোসল সম্পর্কে জানা খু্ব গুরুত্বপূর্ণ। 

গোছল চার প্রকারঃ

যথা, ফরয, ওয়াজিব, সুন্নাত,ও মোস্তাহাব। 

স্ত্রীর সহিত মিলনের পর,স্বপ্ন দোষ হইলে অথবা ঘুম হইতে উঠিয়া স্বপ্ন দোষের কথা মনে না থাকিলেও কাপড় বা বিছানায় মণির দাগ দেখা গেলে অথবা কামভাবে মণি বাহির হইলে গোছল ফরয হয়।


ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম জেনে নিন


গোছলের ফরয তিনটি, যথাঃ

১. মুখ ভর্তি পানি নিয়ে গড়গড়ার সহিত কুলি করা,কিন্তু রোযাদার গড়গড়া করিবে না।

২. নাকের ভিতর পানি দ্বারা পরিক্ষার করা,নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছানো।

৩. সমস্ত শরীরে পানি দ্বারা ভালোভাবে মর্দন করে ধৌত করা যাতে মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রত্যেক পশমের গোড়ায় পানি পৌঁছে। 

ফরয গোছলের নিয়মঃ

যে কাপড় পরিধান করে স্ত্রীর সহিত মিলন করে অথবা স্বপ্ন দোষ হয়, সেই কাপড় ছাড়িয়া অন্য কাপড় পরে গোছল করা সর্বোত্তম। যদি কাপড়ের অভাব থাকে তাহলে প্রথমে নাপাক খুঁজে বের করে গোছলের পূর্বে ধৌত করতে হবে। 

গোছলের প্রথমে দুই হাতের কবজি পর্যন্ত ধৌত করতে হবে, এরপর শরীরে কোন অংশে নাপাকী থাকলে তা ধৌত করবে। অতপর গুপ্তস্থান ভালোভাবে ধৌত করিবে। এরপর বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম পড়িয়া পরবর্তী নিয়ত করবে- 

নাওয়াইতুল গোসলা লি - রাফইল জানাবাতি।

অর্থঃ আমি জানবাত (সহবাস ও শুক্র নির্গমন সম্পৃক্ত অপবিত্রতা) দূরীকরণার্থে গোছলের নিয়ত করিলাম।

পরে সমস্ত শরীর একবার পানি দ্বারা ভালোভাবে ধৌত করিয়া দ্বিতীয়বার পানি দ্বারা গোছল করিবার সময় বিসমিল্লাহ পড়িবে এবং কালেমায়ে তামজীদ পাঠ করিবে।
Previous Post Next Post